Home / BLOG / 40 BCS Notice And Update News has been published in BPSC

40 BCS Notice And Update News has been published in BPSC

40 BCS Notice And Update News has been published in BPSC.

৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৩ মে আয়োজন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পরীক্ষা আয়োজনে ইতোমধ্যে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। ৩ মে সারা দেশে একযোগে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হতে পারে বলে পিএসসি সূত্রে জানা গেছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য আগামী ৩ মে (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে। সেই লক্ষে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহ বিভাগের সকল পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে এ পরীক্ষা একযোগে শুরু করা হবে। পরীক্ষাটি বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পদ্ধতিতে নেয়া হবে। ২০০ নম্বরের পরীক্ষা ২ ঘণ্টাব্যাপী চলবে।

পূর্বের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিষয়ে কমিশন সংশ্লিষ্ট সকলকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রের কক্ষের মধ্যে প্রতি বেঞ্চে সর্বোচ্চ ২ জন প্রার্থী এবং প্রতি প্রার্থীর মধ্যে তিন ফুট দূরত্ব রাখতে হবে। সেই মোতাবেক কক্ষভিত্তিক প্রার্থীর ধারণ ক্ষমতার একটি বিবরণীসহ সর্বমোট প্রার্থী সংখ্যার পরিসংখ্যান প্রেরণসহ বিস্তারিত তথ্য আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে লিখিত সম্মতি এবং ২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কক্ষভিত্তিক সংখ্যার বিবরণী দিতে হবে।

পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজনে আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি। সেখানে ৩ মে সম্ভাব্য একটি সময় উল্লেখ করা হয়েছে। যদি চাহিদা অনুযায়ী আসন খালি পাওয়া যায় তবে আগামী ৩ মে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। আসন খালি পাওয়া সাপেক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান পিএসসি চেয়ারম্যান।

40 বিসিএস নোটিশ ও আপডেট নিউজ

তিনি আরও বলেন, আগামী এপ্রিলে ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। বর্তমানে দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের কাজ চলছে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।গত ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ৪০তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন জমা হয়। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রার্থী আবেদন করেন।

এবারের পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ক্যাডার অনুসারে প্রশাসনে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে

নিউজ সুত্রঃ somoynews.tv  ১১ মার্চ ২০১৯, ২৭ ফাল্গুন ১৪২৫



Admit Download Link

Update News:

পাঁচ বিসিএসের ৭ আপডেট

৩৭তম বিসিএসের ননক্যাডারে কত পদ? ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল কবে? ৩৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল দিতে দেরি কেন? ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কোন মাসে? ৪১তম বিসিএস কি বিশেষ বিসিএস?

ড. মোহাম্মদ সাদিক

গত কিছু দিন ধরে আবারও এসব প্রশ্ন শুনছি। পিএসসি নিয়ে আমি এখন আর প্রতিবেদন করি না। কিন্তু তারপরও ছেলেমেয়েরা উত্তর চাইছেন। কিন্তু উত্তর দেয়ার কর্তৃপক্ষ তো পিএসসি। আমি শুধু আমার মতো করে আপনাদের প্রশ্নের উত্তরগুলো জানার চেষ্টা করে সর্বশেষ যে তথ্য পেয়েছি সেগুলো শেয়ার করছি।

প্রথমেই ৩৭তম এর ননক্যাডার প্রসঙ্গ। আজও আপনারা এসেছিলেন। আপনাদের বার্তা আমি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছি। আমি যতটা জেনেছি- পিএসসি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে প্রথম শ্রেণির মোটামুটি যেসব চাহিদা পেয়েছে, তার ভিত্তিতে মার্চ বা এপ্রিলে ফল দিতে শুরু করবে।

তবে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে এখুনি সুপারিশ করা হবে না। আপনারা যেমনটি চাইছেন, আরেকটু চাহিদা আসুক। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় চাইলে আরও শূন্যপদের চাহিদা দিতে পারে। পিএসসি যখন যার চাহিদা পাবে, সেটি গ্রহণ করবে।

শিক্ষা দফতরের পদোন্নতি পাওয়া যে ৪০০ পদের কথা বলছেন, তারা চাহিদা দিলে পিএসসি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবে। কিন্তু আমার পর্যবেক্ষণ বলে- শিক্ষা দফতর হয়তো আগ্রহী হবে না। তবে এনবিআরের জন্য পিএসসি অপেক্ষা করবে।

আমি আমার পর্যবেক্ষণ থেকে একটি কথা বলতে পারি- জটিলতা যেন কমে এবং মেধাবীরা যেন নিয়োগ পায় সে কারণেই ননক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা করা হয়েছিল। বিসিএস উত্তীর্ণ ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন দফতরে ননক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে দেখা গেছে, তারা সততার সঙ্গে অনেক বেশি সেবা দিচ্ছে। তাদের কাজের মানও খুব ভালো। কিন্তু এখনও অধিকাংশ মন্ত্রণালয় ও দফতর চাহিদা দিতে আগ্রহী না। বারবার বলার পরও তারা চাহিদা পাঠায় না। এ ব্যাপারে পিএসসির আন্তরিকতার ঘাটতি আছে বলে আমি অন্তত মনে করি না। বরং পিএসসি চায় বিসিএস থেকে আরও বেশি নিয়োগ পাক।

আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী যদি মন্ত্রণালয়গুলোকে চাহিদা পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দিতেন। বছরে একটা বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে সব ধরনের নিয়োগের সুপারিশের পক্ষপাতি আমি। তাতে দুর্নীতি কম হয়। মেধাবীরা নিয়োগ পায়। শুভকামনা ৩৭তম ননক্যাডার। আমার ধারণা, ৩৭তমের ননক্যাডারে শেষ পর্যন্ত ভালো কিছুই হবে। শুভকামনা।এবার ৩৮তম প্রসঙ্গ। আপনারা জানেন ৩৮তম বিসিএস থেকে লিখিত পরীক্ষার খাতা দুজন মূল্যায়ন করছেন। কোনো নিরীক্ষকের অবহেলায় কেউ যেন বৈষম্যের স্বীকার না হন, সে কারণেই এ উদ্যোগ। এই বিসিএসের প্রথম মূল্যায়ন শেষে দ্বিতীয় নিরীক্ষকের কাছে খাতা যাচ্ছে। আগেও বলেছি- এই লিখিত পরীক্ষার ফল পেতে এপ্রিল হয়ে যেতে পারে।

এবার আসি ডাক্তারদের জন্য বিশেষ বিসিএস ৩৯তমের আপডেটে। ডাক্তারদের পদ আরও বাড়ার যে সম্ভাবনা ছিল, সেটি বোধহয় আর থাকছে না। আমার সূত্র বলছে- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে বাড়তি চাহিদা দেয়ার কথা ছিল, যার কারণে পিএসসি ১৩ হাজার ছেলেমেয়ের ভাইভা নিল, শেষ পর্যন্ত সেটি হচ্ছে না। এই পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল হতে অন্তত এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৪০তম বিসিএসের কথা বলি। আগেও বলেছি- যেহেতু ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চলছে, এর পর এইচএসসি পরীক্ষা আছে এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকবে। কাজেই আমার মনে হয় না মে মাসের আগে এই পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে মে মাসের ৩ তারিখ কিংবা এর পরে এই পরীক্ষা হতে পারে বলে আমার ধারণা।

৪১তম বিসিএস বিশেষ নাকি সাধারণ হবে, সেই প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর এখন দিতে পারব না। তবে এই বিসিএস শুধুই বিশেষ, এটি যারা বলছেন, তারা কিসের ভিত্তিতে বলছেন- আমি জানি না। পিএসসি চিঠি দিয়েছে। এখন জনপ্রশাসন যেভাবে চাহিদা দেবে, সেভাবেই হবে। কাজেই বিশেষ হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে। আমি অবশ্য বিশেষের পক্ষে নই।আরেকটি কথা। আগেও বলেছি, এখনও বলছি- আপনারা সবাই স্বীকার করবেন যে, এখন বিসিএসের মাধ্যমে কোনো তদবির ছাড়াই সাধারণ ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে। সরকার এ ব্যাপারে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করছে পিএসসিতে, আমি এমনটি শুনিনি। বরং পিএসসি মোটামুটি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। সরকারের যে কয়টা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান আছে, তার মধ্যে পিএসসির ব্যাপারেই এখন সাধারণের সবচেয়ে বেশি আস্থা।
আমার নিজের ভাবনা হলো- আসছে দিনগুলোতে যদি বিসিএস পদ্ধতিতে আরও কিছু সংস্কার হয়, বিশেষ করে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা যায়, সেটি খুব ভালো সিদ্ধান্ত হবে।আর বছরে একটি বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে সেখান থেকে ক্যাডার, ননক্যাডার, প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি- এমনকি অন্য সব পদে নিয়োগ দেয়া উচিত। তাতে নিয়োগে অনিয়ম কমবে।
আর আমি মনে করি, একটি দেশের নিয়োগ পদ্ধতি যত ভালো হবে, তত ভালো ছেলেমেয়েরা আসবে জনপ্রশাসনে। রাষ্ট্রও এগিয়ে যাবে। আশা করছি, নীতিনির্ধারকরা ভাববেন। তবে সব কিছু বাদ দিয়ে শুধু সরকারি চাকরি এ নীতি থেকেও সবাইকে বের হতে হবে। সবার জন্য শুভকামনা।

নিউজ সুত্রঃ ইত্তেফাক রবিবার, ১০ মার্চ ২০১৯, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৫

৩৭, ৩৮, ৩৯ ও ৪০তম বিসিএসের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি। ইতোমধ্যে ৩৭তম বিসিএসের নন-ক্যাডার নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী মাসের প্রথমার্ধে প্রথম শ্রেনি নন-ক্যাডারের ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে।

মার্চের মধ্যেই ৩৮তম বিসিএসের ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যেই ৩৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

একইভাবে এপ্রিলেই ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা আছে। চার বিসিএসের কার্যক্রম গুছিয়ে আনার পর ৪১তম বিসিএসের জন্য শুন্য পদের তালিকা চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, চারটি বিসিএস নিয়ে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে পিএসসি। শতভাগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সবচেয়ে মেধাবীরা যাতে নিয়োগে পায় সে জন্য বিরামহীনভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পিএসসির সংশ্লিষ্টরা। এপ্রিলের পর ৪১তম বিসিএসের জন্য শুন্য পদের তালিকা চাওয়া হবে।

পিএসসির প্রতি পরীক্ষার্থীদের শতভাগ আস্থা রাখার আহবান জানিয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, ৩৭তম বিসিএস নন-ক্যাডারের প্রথম দফার ফলাফল আশা করছি ১০ মার্চের মধ্যে দিতে পারবো। ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ৩৭তম বিসিএসের নন-ক্যাডার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা আছে।

২০১৮ সালের ১২ জুন ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৩১৪ জন ক্যাডার পান। বাকি ৩ হাজার ৪৫৪ জনকে নন ক্যাডারে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। পদ পাওয়া সাপেক্ষে তাদের নিয়োগের সুপারিশ করবে পিএসসি।

তালিকা অনুসারে প্রথম শ্রেণির পদের চাহিদা প্রায় ৭০০। আর দ্বিতীয় শ্রেণির পদের চাহিদা প্রায় ৩০০। এ ছাড়া প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পদ আছে প্রায় আড়াই হাজার। এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, তারা যে চাহিদা পেয়েছেন, সেখানে প্রতিটি পদের বিপরীতে শর্ত আছে। শর্ত মিলে গেলেই নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে।

২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এর ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে ১৬ হাজার ২৮৬ জন উত্তীর্ণ হন। গত বছরের ৮ আগস্ট এই বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। এই বিসিএস থেকে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার নিয়োগ করা হবে।

এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল মার্চের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলে আশা করছি। এই বিসিএস থেকে দুইজন নিরীক্ষক এবং ক্ষেত্র বিশেষ তিনজন নিরীক্ষক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছেন। বিশেষ করে কোন নিরীক্ষকের নম্বর ২০ এর কম বেশি হলে তৃতীয় নিরীক্ষকের কাছে খাতা পাঠানো হচ্ছে।

গত বছরের ৮ এপ্রিল স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৫৪২ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ২৫০ জনকে নিয়োগের জন্য ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই বছরের ৩ আগস্ট ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

মৌখিক পরীক্ষার জন্য সহকারী সার্জন পদে ১৩ হাজার ২১৯জন প্রার্থী এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৫৩১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। গত বছরের ১০ অক্টোবর থেকে এই বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। আগামী ১০ মার্চ মৌখিক পরীক্ষা শেষ হবে।

এ বিষয়ে ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, আশা করছি পরীক্ষা শেষের এক মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করতে পারবো।

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ৪০তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। আবেদন করেছেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। এতে আবেদনের রেকর্ড তৈরি হয়েছে। এই বিসিএস থেকে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করা হবে। এপ্রিলের মধ্যেই পরীক্ষা গ্রহণের পরিকল্পনা আছে।

নিউজ সুত্রঃ ইত্তেফাক ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

We provide different types of job information with also provide some effective information or resource and job tips which helps to get job easily.We trust that our distributing data helps the activity searchers who are finding a superior employment.All the jobs of this website is not for the unemployed people but also employed people too.

Facebook page: Please like our Face book page to be continually updated.This website not solely provides the task circular however offers potential education news.On prime of that,this website includes numerous interview & career tips that lead you higher career! thus don’t miss to love our Face Book page

About Jobnews